Dark Mode Light Mode

১১শ তারাবীহ: ১৪তম পারার মর্মার্থ

সূরা হিজর
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত ৯৯, রুকু ৬
যেহেতু এই সূরায় ‘হিজর’ উপত্যকায় বসবাসকারী কওমে সামূদের আলোচনা আছে তাই এর নাম সূরা হিজর রাখা হয়েছে। হিজর উপত্যকা মদীনা ও শামের মধ্যখানে অবস্থিত। এই সূরার প্রথম আয়াতটি শুধু ১৩নং পারায়, বাকি সম্পূর্ণ সূরা ১৪নং পারায়।

এ সূরারও সূচনা হুরুফে মুকাত্তা’আত দিয়ে এবং প্রথম আয়াতেই কুরআনের পরিচয় ও গুণাগুণ বর্ণনা করা হয়েছে। সূরাটির মাঝে ইসলামের বুনিয়াদী আকীদার দৃঢ়তা বর্ণনা করা হয়েছে। এ সূরার গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাগুলো নীচে উল্লেখ করা হল:

১. কেয়ামতের দিন কাফেররা যখন শাস্তির কঠোরতা এবং ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করবে তখন তারা আকাঙ্খা করবে, আহ! যদি আমরা মুসলমান হতাম। কিন্তু সেদিনের ঈমান এবং ঈমানের তামান্না কোন কাজেই আসবে না। আজ তারা মহানবীকে পাগল ও দেওয়ানা বলে বেড়াচ্ছে এবং তার ঈমানী দাওয়াত গ্রহণ না করে পূর্ববর্তীদের ন্যায় অস্বীকার ও উপহাসের পথ বেছে নিয়েছে। সুতরাং আগামীকাল তাদের হাশর তাদের জাহান্নামী বন্ধুদের সাথেই হবে। (২-৬)

২. কুরআন কারীমের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সরাসরি মহান আল্লাহই এই গ্রন্থের হেফাজতের দায়িত্ব নিয়েছেন। পক্ষান্তরে অন্যান্য আসমানী গ্রন্থের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তার বহনকারীদেরকে। ফলে অন্যান্য আসমানী কিতাব মানুষের হাতের অনিষ্ট থেকে সংরক্ষিত থাকেনি, বিকৃত হয়ে গেছে। অথচ ১৪শত বছর অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও কুরআন সব ধরনের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও কমবেশি থেকে সম্পূর্ণ মাহফুজ, সংরক্ষিত এবং পবিত্র। (৯)

কুরআন কারীম যে মু’জিযা তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বড় আলামত হল, কালের আবর্তন এবং যামানার বিবর্তন সত্ত্বেও কুরআন যেমন এসেছিল তেমনই আছে। কুরআন সংরক্ষিত রাখার জন্য মহান আল্লাহ কুরআনের হেফাজতকে একেবারে সহজ করে দিয়েছেন। পৃথিবীতে এমন কোন ভূখণ্ড হয়ত পাওয়া যাবে না, যেখানে কুরআনের হাফেজ নেই। ছোট ছোট নিষ্পাপ শিশুরা যারা মাতৃভাষায় কয়েক পৃষ্ঠার চটি বইও মুখস্থ রাখতে পারে না, কিভাবে তারা এত বড় কিতাব নিজেদের বুকে সংরক্ষিত করে রাখে। আল্লাহু আকবার!

৩. এ সূরার বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ তা’আলার কুদরত ও একত্ববাদের প্রমাণাদি আলোচনা করা হয়েছে। এগুলো বজ্রকণ্ঠে আপন স্রষ্টার অস্তিত্বের এবং মহত্ত্বের সাক্ষ্য দিচ্ছে। বলা হচ্ছে, ‘আমিই আকাশের মাঝে নক্ষত্র সৃষ্টি করেছি এবং দর্শকদের জন্য তাকে সুসজ্জিত করেছি’। (৩-১৬)

পুরো পড়তে ক্লিক করুন: ১৪তম পারা

আমাদের সকল আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post

১০ম তারাবীহ: ১৩তম পারার মর্মার্থ

Next Post

১২তম তারাবীহ: ১৫তম পারার মর্মার্থ