গতকাল অধিকাংশ মসজিদে কুরআন শরীফ খতম হয়েছে।
আল্লাহ তাওফীক দিয়েছিলেন বলেই আমরা খতম করতে পেরেছি। তাঁর দয়া না হলে আমরা পারতাম না। কোনো সন্দেহ নাই, বান্দার ওপর রব্বে কারীমের সবচেয়ে বড় অনুগ্রহ হল, তাঁর কালাম পড়তে পারা, শুনতে পারা। বান্দা যখন কুরআন পড়ে তখন তার জিহ্বাটাই শুধু নড়ে। মূল কারী, মূল পাঠক তো হলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। আহা! আমি আমার গান্দা যবান নড়াচ্ছি, আর আমার আল্লাহর কালাম সেখানে জারি হয়ে যাচ্ছে। আমার কানে কুরআনের অমীয় বাণী পৌঁছে যাচ্ছে। এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কী হতে পারে? আর সে সৌভাগ্যটাও যদি আবার পাওয়া যায় নামাযে, আল্লাহর সাথে কানাকানি করার মুহূর্তে, রমযানের পবিত্র রজনীগুলিতে। তাহলে তো ‘নূর আলা নূর’। সোনায় সোহাগা। গত সাতাশ দিন আমরা তারাবীতে সেই নেয়ামত পেয়েছি। তারাবীর নেয়ামত আরও দুই তিন দিন পাওয়া যাবে। সৌভাগ্যের দিনগুলি এখনও ফুরায়নি। এখনও তা বর্তমান। কদর করব তো ইনশাআল্লাহ? মাওলানা রাশেদুর রহমান






