আল কুরআনুল কারীমের ১৬তম পারার শুরুর আয়াতগুলোতে মূসা ও খিযির আলাইহিস সালাম এর অবশিষ্ট ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর বাদশাহ্ জুলকার নাইন এর ঘটনা আলোচিত হয়েছে।
জুলকারনাইন কে ছিলেন? এ বিষয়ে তাফসীরকারদের মাঝে মত পার্থক্য রয়েছে। অনেকে “সিকান্দার মাকদূনী” কে জুলকারনাইন বলেছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সিকান্দারকে জুলকারনাইন বলাটা অযৌক্তিক। কেননা এই ব্যক্তি ঈমান ও খোদাভিরুতা থেকে অনেক দূরে ছিল। অথচ কুরআনে যে ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তিনি শুধু বৈষয়িক উপায় উপকরণের অধিকারী বাদশাহই ছিলেন না, বরং তিনি বহু গুনাবলীরও অধিকারী ছিলেন। তিনি জালেম ও অত্যাচারী বাদশাহদের ন্যায় ছিলেন না; বরং তিনি আল্লাহর দেয়া সম্পদ ও উপায় উপকরণ মানবিক সেবা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ব্যায় করেছেন। অনেক ঐতিহাসিক সিকান্দার ছাড়াও অন্য কোনো বাদশাহকেও জুলকারনাইন বলার চেষ্টা করেছেন। তবে কোনো ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট ভাবে চিহ্নিত করা না গেলেও এই স্থানে কুরআনের মূল বিষয়টি বোধগম্য হওয়ায় কোন সমস্যা হবে না। কেননা ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বা বিষয়সমূহের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ উল্লেখ করা কুরআনের উদ্দেশ্য নয়, বরং কুরআনের উদ্দেশ্য হল উক্ত ঘটনা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও উপদেশ পাঠকের সামনে উপস্থাপন করা।






