যদি মুমিন কামাই-অর্জন করার মৌসুম বলেই রমযানকে উপাধি দেয় অবশ্যই রমযান নেকি অর্জনের দিক থেকে সবচেয়ে দামি মৌসুম। পার্থিব আয়-রোজগারের জন্য কি এগারো মাসে কম সময় পাওয়া গেছে? অতএব রমযানে পার্থিব আমদানি একটু কম হলে কি অনেক ক্ষতি হবে?
আর যদি আমরা কামাই-অর্জনের মৌসুম বলতে রমযানকে পার্থিব কামাই-উপার্জনের মৌসুম বলে বিশ্বাস করি আর রমযানে বেশি আমল করে নেকি কামাইকে গুরুত্বহীন ভাবী, এটা তো নিজের উপর সুস্পষ্ট জুলুম হবে।
চলুন এখন থেকে নিয়তকে আমরা আরও মজবুত করি যে, রমযানে ইবাদত বাড়াব। জাগতিক কাজে মন কম লাগাব ইনশাআল্লাহ।






