শাবানের চৌদ্দ তারিখের দিবাগত রাত, অর্থাৎ শবে বরাত সামনে। আমরা এ রাতে সাধ্য অনুযায়ী নফল ইবাদত করব ইনশাআল্লাহ। যে কাজ শরিয়ত অনুমোদন করে না, তা মুমিন করে না। কিন্তু যেটা শরিয়ত অনুমোদন করে, তা মুমিন ততটুকুই পালন করে থাকে যতটুকু শরিয়ত অনুমোদন করে।
নফল ইবাদত একাকী করাটাই উত্তম। শবে বরাতে পুরো রাত জাগতে হবে – এমন জরুরি নয়, ইবাদতের জন্য জাগতে পারলে ভালো। কিন্তু অন্যান্য সময়ের মত এশা ও ফজর জামআতে পড়াটা বেশি জরুরি। কোনো বিশেষ প্রকার নামায বর্ণিত নেই। দুই রাকাত করে নফল নামায পড়ব। দোআ-ইস্তেগফার করব। হালুয়া-রুটি, পটকা-বাজির কথা কুরআন-সুন্নাহ সম্মত কোনো আমলই নয়।
শবে বরাতের প্রমাণ হাদীসে নেই, তা পালন করা বিদআত – এ জাতীয় কথা বলা, বিশ্বাস করা আরেক ভ্রষ্টতা। বরং, এ রাতে আল্লাহ পাক তাঁর সৃষ্টির প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেন, বহু মানুষকে ক্ষমা করেন, মুশরিক ও হিংসুক বঞ্চিত থাকে — এ কথা গ্রহণযোগ্য হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
শবে বরাতে মসজিদ ও কবরস্থানে ভিড় করা আরেক মন্দ রেওয়াজ। এগুলো পরিহার করে একাকী আল্লাহর দরবারে নামায-দোআ-তওবা-ইস্তেগফারে মনোযোগী হব ইনশাআল্লাহ।






