Dark Mode Light Mode

আমরাও পারি তওবা করে সফল হতে

হতাশ হতে নেই। মুমিন হতাশ হয় না। সব অবস্থায় আল্লাহ তাআলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার চেষ্টা করে যেতে হবে। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাআলা সফলতার পথ খুলে দেবেন।

হায়াত আছে। তওবার দরজা খোলা আছে। হায়াতকে কাজে লাগানো জরুরি। তওবার মাধ্যমে আল্লাহ পাকের প্রিয় হওয়া অপূর্ব এক সুযোগ! এটা অত্যন্ত সহজও।

বান্দা শত-সহস্রবার গুনাহ করে তওবা করলেও আল্লাহ পাক তাঁর বান্দাকে গ্রহণ করে নেয়। আসুন আমরা প্রত্যেকে তওবা করে আল্লাহ পাকের মাহবুব বান্দা হয়ে যাই!

ইতিহাস অগণিত নামে উজ্জ্বল যাদের পূর্ব জীবন আল্লাহ-বিমুখ ছিল। তওবার মাধ্যমে তারা দুনিয়া ও আখেরাতে ধন্য হয়েছেন। বিশরে হাফী, হাবীবে আজমী, ফুযায়ল ইবনে আয়ায, মালেক বিন দীনার প্রমুখ তাদের যুগের বড় মুত্তাকী ছিলেন। তাদের পূর্ব জীবন ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত ছিল। তওবা তাদেরকে আল্লাহর কাছে প্রিয় করেছে। আজ তাদের নাম নিতে হলে আমরা বলি ‘রাহিমাহুল্লাহ’। আল্লাহ তাআলা তাদের মর্যাদাকে অনেক বৃদ্ধি করেছেন। কারণ তাদের তওবা খাঁটি ছিল। তারা তওবা করেই ক্ষান্ত হননি; এমনভাবে নেককাজ করেছেন ও ইলম অর্জন করেছেন যে বহুগুণ বেশি এগিয়ে গেছেন।

আল্লাহ তাআলার কথা আমাদের সামনে: আল্লাহ তাআলা অধিক তওবাকারীদের ভালোবাসেন ও তাদের পরিশুদ্ধ করে দেন। সূরা বাকারা – ২:২২২

আমরা কেন হতাশ হব?! হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে খাঁটি তওবা ও তোমার ভালোবাসা দান কর। আমীন।

আমাদের সকল আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post

মোবাইল ব্যবহার করে নেক কাজ করার কয়েকটি সহজ উপায়

Next Post

সুন্নত অহংকার মিটিয়ে সংশোধন, সম্প্রীতি ও ঐক্য তৈরি করে